ফাইফার নিয়ে রের্কড গড়লেন রশিদ খান

Aug 4, 2026 - 16:42
 0  8
 ফাইফার নিয়ে রের্কড গড়লেন রশিদ খান

ছোট দেশের বড় তারকা হিসেবে পরিচিত আফগানিস্তানের তারকা ক্রিকেটার রশিদ খান। জাতীয় দলে অভিষেকের পর থেকে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে বিশ্বের নজর কাড়েন এই লেগ স্পিনার। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে নিয়মিত খেলছেন তিনি।

ইংল্যান্ডের ১০০ বলের ফ্র্যাঞ্চাইজ লিগের ‘দ্য হান্ড্রেড’ ইতিহাসে নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করলেন রশিদ খান। এই টুর্নামেন্টে নিজের প্রথম পাঁচ উইকেটের স্বাদ পাওয়ার পাশাপাশি বল হাতে অনন্য ইতিহাস তৈরি করলেন আফগান তারকা।

গত রোববার (২ আগস্ট) লন্ডনের দ্য ওভালে এমআই লন্ডনের হয়ে ম্যানচেস্টার সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে মাত্র ২০ বলে ১৭ রান খরচ করে ৫ উইকেট শিকার করেন রশিদ খান। এটি কেবল দ্য হান্ড্রেডে তার ব্যক্তিগত প্রথম ফাইফারই নয়, বরং চলতি আসরেরও প্রথম পাঁচ উইকেটের রেকর্ড। সবমিলিয়ে অষ্টম বোলার হিসেবে দ্য হান্ড্রেডে ফাইফার পেলেন রশিদ। 

এদিন টস হেরে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ১০০ বলে ৬ উইকেটে ১৮৩ রান করে এমআই লন্ডন। চলতি আসরে এটি তাদের সর্বোচ্চ সংগ্রহ। বড় পুঁজি গড়ার ভিত তৈরি করেন উইল জ্যাকস ও নিকোলাস পুরান। জ্যাকস ৩১ বলে ৬২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। আর ২৮ বলে ৫৪ রান করেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের তারকা পুরান। শেষদিকে ১১ বলে ২৩ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন স্যাম কারান।

টার্গেট তাড়ায় ওপেনিং জুটিতে প্রথম ৩০ বলেই ৫৯ রান আসে ম্যানচেস্টারের। ২৬ বলে ফিফটি তুলে নিয়ে ম্যাচটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করেন এইডেন মার্করাম। তবে এরপরেই রশিদের ঘূর্ণি আক্রমণে সম্পূর্ণ দিকভ্রান্ত হয়ে পড়ে। টিম সিফার্টকে বোল্ড করে প্রথম আঘাতের পরে জস বাটলার, হেনরি ক্লাসেন, টম মুরস ও লিয়াম ডসনকে আউট করেন রশিদ খান। 

রশিদ খানের লেগ স্পিনে বিভ্রান্ত হয়ে ৩৫ রানের ব্যবধানে ৬ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায় ম্যানচেস্টার। শেষ পর্যন্ত ৯৫ বলে ১৩৮ রানে গুটিয়ে যায় তাদের ইনিংস, ৪৫ রানের জয় পায় এমআই লন্ডন। ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন রশিদ খান।

এই জয়ের ফলে টুর্নামেন্টের পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে নিজেদের অবস্থান শক্ত করল এমআই লন্ডন। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

খেলাধুলা ভিশন: বাংলা ভাষায় খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, ক্রীড়া নীতি, খেলোয়াড় উন্নয়ন এবং যুব নেতৃত্ব বিষয়ে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Sports Intelligence Platform হওয়া; যা ক্রীড়াপ্রেমী, খেলোয়াড়, কোচ, গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, খেলোয়াড় উন্নয়ন, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা এবং যুব নেতৃত্বকে তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতা, গবেষণা, বিশ্লেষণ এবং অনুপ্রেরণামূলক গল্পের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে একটি সুস্থ, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।